Thursday, August 4, 2016
Monday, August 1, 2016
Thursday, July 14, 2016
Monday, June 13, 2016
জুনের আঁকাআঁকি
এই মাসে হাতে ফ্রিল্যান্স কাজকর্ম কম। অনেকটা ইচ্ছে করেই নিচ্ছি না বলা যায়।
প্র্যাকটিসে আছি + হাত আঁকা শিখছি + কালের কণ্ঠের সাপ্তাহিক সাপ্লিমেন্ট "ঘোড়ার ডিম"- এ
কার্টুন আঁকা শুরু করেছি। জীবন সুন্দর :D
How to train your Dragon থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একটা ছোটখাটো ড্রাগনের বাচ্চা আঁকলাম। রুমমেট দেখে বললো,
এইডা কি উড়ন্ত তিমিমাছ আঁকছস?
এইডা কি উড়ন্ত তিমিমাছ আঁকছস?
পুতলী - আমার বন্ধু হবে???
ফড়িং - অবশ্যই!!!
পেটু :3
Chibi Deadpool
Wednesday, May 25, 2016
মেছোভূত :3
মেছোভূতঃ ০১
মেছোভূতঃ ০২
রাতবিরেতে মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পর ঠাকুরদা যে কারনে ঠাকুমার মুখ ঝামটা খেতেন
মেছোভূতঃ ০৩
অমুকেন্দুপুরের জমিদার তমুকেন্দু সিংহ রায় চৌধুরীর কথায় যেখানে বাঘ আর মহিষ একঘাটে পানি খায় সেখানে মেছোভূত কোন ছার! B|
ফেসবুকে AKANTIS গ্রুপে মেছোভূত আঁকাআঁকি চলছে। আমিও আঁকলাম কিছু। আরো আঁকার ইচ্ছে আছে। :D
Labels:
আকান্তিস,
কার্টুন,
ভুতের কার্টুন,
ভূত,
মেছোভূত
AKANTISchool Basic Cartooning Course by Mehedi Haque
অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত আকান্তিস স্কুল এর কার্টুন কোর্সটি সম্পন্ন করলাম।
গত মাসের ২৯ তারিখ থেকে শুরু। সপ্তাহে দুদিন ক্লাস। বেলা ১১টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। ক্লাসের দিনগুলিতে সকালবেলা উঠে যেতাম ঘুম থেকে। বরিশাল হোটেলে কিছু খেয়েদেয়ে পলাশ পরিবহনে করে গাজীপুর চৌরাস্তা। এরপর চৌরাস্তা থেকে আবার বসুমতি পরিবহনে করে মিরপুর টেকনিক্যাল। ওখান থেকে হেঁটে সোজা নিমকোতে। দুমিনিটের পথ। ক্লাস শেষে লোকাল বাসে করে ফার্মগেট। এরপর ঢাকা পরিবহনে ঝুলে ঝুলে শিববাড়ি। নিজের রুমে যখন ফিরতাম তখন আর শরীরে এনার্জি থাকতোনা। এরপরও দারুন উপভোগ করতাম সময়গুলো। :D
টোটাল আটটা ক্লাসের মধ্যে একটি ক্লাস ঘুমের মধ্যে মিস (ক্যারিকেচার আঁকা শেখার ক্লাসটি :( ) আর বাকি আধখানা ক্লাস মিস হয়ে গিয়েছিলো কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর চক্করে পড়ে।
বাকি ক্লাসগুলি আমি অসাধারনভাবে উপভোগ করেছি। যার একটি টিউটোরিয়ালের হাত ধরে বলতে গেলে আমার কার্টুন আঁকাআঁকি শুরু সেই মেহেদী ভাইয়ের ক্লাস মানেই আমার কাছে অন্যরকম কিছু ছিল। এই মানুষটার অনেক গুনের মধ্যে যেটা আমার সবচে বেশি ভালো লাগে সেটা হচ্ছে উনার বিনয় আর সাহায্য করার প্রবণতাটা। বলতে গেলে কোর্সে সবাইকেই হাতে ধরে শিখিয়েছেন অল্প সময়য়ের মধ্যেই যা শেখানো যায়। কার্টুন আঁকা এখনো পর্যন্ত যা পারি তার বেশিরভাগই বিভিন্ন ব্লগ, সাইট আর ইউটিউব ঘেঁটে শেখা । এই কোর্সটি আমার প্রয়োজন ছিল । অনেক কিছুই ক্লিয়ার হয়েছে যা আগে ধোঁয়াশার মত ছিল।
আর ছিল একদল হাসিখুশি মানুষ। গ্রুপমেট আরিফ ভাই আর ফয়সাল ভাই, প্রসূন, সালমান, অরত্রিকা, মাহাতাব, সবচে পিচ্চি অহনাসহ আরো অনেক হাসিখুশি মানুষ। দারুন কিছু দিন কেটেছে বলতে গেলে। মিরপুর চিড়িয়াখানায় স্কেচবুকিং করার সময় আরিফ ভাইয়ের বানর আঁকা দেখে হাসি চাপতে পারিনি আমি আর ফয়সাল ভাই। উনি বানর আঁকতে গিয়ে বিড়াল এঁকে ফেলেছিলেন। :D
আর কিছুক্ষন পরেই হরিন আঁকতে গিয়ে ইঁদুর এঁকে ফেলেছিলেন। :D
একদম শেষ ক্লাসটি মিস হয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় রোয়ানোর চক্করে পড়ে। মিরপুরের পথে রওনা হয়েছিলাম সকালেই। উত্তরা পৌঁছার পর গুরু মেহেদী ভাইয়ের ফোনকল; ক্লাস হবেনা। সবাই যাতে
বিকেল চারটায় দৃক গ্যালারিতে উপস্থিত থাকি। কয়েকজন পাবলিক ঢাকার গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে বাসা থেকে বের হতে পারেননাই যার কারনে ক্লাসটি শিফট করা হয়েছিল দৃক গ্যালারিতে। দৃকে উন্মাদের কার্টুন এক্সিবিশন চলছিলো। এর মাঝেই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল। অথচ এই ক্লাসটিকে ঘিরে আমার উত্তেজনার শেষ ছিলনা। কার্টুনিং এর বস আহসান হাবিবের আসার কথা ছিল এই ক্লাসে। মেজাজ টং হয়ে গিয়েছিল আমার সেদিন। সার্টিফিকেটটা আর নেওয়া হলনা নিজ হাতে। প্রসুনকে বলেছিলাম নিয়ে নিতে আমারটা। যাই হোক, কিছু নথিপত্তর তুলে রাখি ব্লগে। কোন একদিন হয়তোবা দেখা হবে ব্লগপোস্টটা আর নস্টালজিক হবো। :D
গত মাসের ২৯ তারিখ থেকে শুরু। সপ্তাহে দুদিন ক্লাস। বেলা ১১টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। ক্লাসের দিনগুলিতে সকালবেলা উঠে যেতাম ঘুম থেকে। বরিশাল হোটেলে কিছু খেয়েদেয়ে পলাশ পরিবহনে করে গাজীপুর চৌরাস্তা। এরপর চৌরাস্তা থেকে আবার বসুমতি পরিবহনে করে মিরপুর টেকনিক্যাল। ওখান থেকে হেঁটে সোজা নিমকোতে। দুমিনিটের পথ। ক্লাস শেষে লোকাল বাসে করে ফার্মগেট। এরপর ঢাকা পরিবহনে ঝুলে ঝুলে শিববাড়ি। নিজের রুমে যখন ফিরতাম তখন আর শরীরে এনার্জি থাকতোনা। এরপরও দারুন উপভোগ করতাম সময়গুলো। :D
টোটাল আটটা ক্লাসের মধ্যে একটি ক্লাস ঘুমের মধ্যে মিস (ক্যারিকেচার আঁকা শেখার ক্লাসটি :( ) আর বাকি আধখানা ক্লাস মিস হয়ে গিয়েছিলো কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর চক্করে পড়ে।
বাকি ক্লাসগুলি আমি অসাধারনভাবে উপভোগ করেছি। যার একটি টিউটোরিয়ালের হাত ধরে বলতে গেলে আমার কার্টুন আঁকাআঁকি শুরু সেই মেহেদী ভাইয়ের ক্লাস মানেই আমার কাছে অন্যরকম কিছু ছিল। এই মানুষটার অনেক গুনের মধ্যে যেটা আমার সবচে বেশি ভালো লাগে সেটা হচ্ছে উনার বিনয় আর সাহায্য করার প্রবণতাটা। বলতে গেলে কোর্সে সবাইকেই হাতে ধরে শিখিয়েছেন অল্প সময়য়ের মধ্যেই যা শেখানো যায়। কার্টুন আঁকা এখনো পর্যন্ত যা পারি তার বেশিরভাগই বিভিন্ন ব্লগ, সাইট আর ইউটিউব ঘেঁটে শেখা । এই কোর্সটি আমার প্রয়োজন ছিল । অনেক কিছুই ক্লিয়ার হয়েছে যা আগে ধোঁয়াশার মত ছিল।
আর ছিল একদল হাসিখুশি মানুষ। গ্রুপমেট আরিফ ভাই আর ফয়সাল ভাই, প্রসূন, সালমান, অরত্রিকা, মাহাতাব, সবচে পিচ্চি অহনাসহ আরো অনেক হাসিখুশি মানুষ। দারুন কিছু দিন কেটেছে বলতে গেলে। মিরপুর চিড়িয়াখানায় স্কেচবুকিং করার সময় আরিফ ভাইয়ের বানর আঁকা দেখে হাসি চাপতে পারিনি আমি আর ফয়সাল ভাই। উনি বানর আঁকতে গিয়ে বিড়াল এঁকে ফেলেছিলেন। :D
আর কিছুক্ষন পরেই হরিন আঁকতে গিয়ে ইঁদুর এঁকে ফেলেছিলেন। :D
একদম শেষ ক্লাসটি মিস হয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় রোয়ানোর চক্করে পড়ে। মিরপুরের পথে রওনা হয়েছিলাম সকালেই। উত্তরা পৌঁছার পর গুরু মেহেদী ভাইয়ের ফোনকল; ক্লাস হবেনা। সবাই যাতে
বিকেল চারটায় দৃক গ্যালারিতে উপস্থিত থাকি। কয়েকজন পাবলিক ঢাকার গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে বাসা থেকে বের হতে পারেননাই যার কারনে ক্লাসটি শিফট করা হয়েছিল দৃক গ্যালারিতে। দৃকে উন্মাদের কার্টুন এক্সিবিশন চলছিলো। এর মাঝেই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল। অথচ এই ক্লাসটিকে ঘিরে আমার উত্তেজনার শেষ ছিলনা। কার্টুনিং এর বস আহসান হাবিবের আসার কথা ছিল এই ক্লাসে। মেজাজ টং হয়ে গিয়েছিল আমার সেদিন। সার্টিফিকেটটা আর নেওয়া হলনা নিজ হাতে। প্রসুনকে বলেছিলাম নিয়ে নিতে আমারটা। যাই হোক, কিছু নথিপত্তর তুলে রাখি ব্লগে। কোন একদিন হয়তোবা দেখা হবে ব্লগপোস্টটা আর নস্টালজিক হবো। :D
ক্লাস স্কেজুল :D
মেহেদী ভাইয়ের আঁকা ব্যাচের সবার ক্যারিকেচার
মিরপুর চিরিয়াখানায় স্কেচবুকিং
ক্যারেক্টার ডিজাইনঃ তারমানব (তামা)
The Wireman
গ্রুপ কার্টুন। থিম ছিল ট্র্যাফিক জ্যাম
আমার লাইভ ক্যারিকেচার আঁকছে প্রসূন।
প্রসুনের আঁকা আমার ক্যারিকেচার :D
বুঝাতে ব্যস্ত মেহেদী ভাই
মিরপুর চিরিয়াখানায় স্কেচবুকিং
স্কেচবুকিং শেষে একটা টাস্ক ছিল। চিরিয়াখানায় দেখা কোন পশু/পাখির ক্যারেক্টার ডিজাইন।
আমার ক্যারেক্টার। :D
Subscribe to:
Posts (Atom)































